প্রযুক্তি বিশ্বে অ্যাপল কোম্পানিকে টপকিয়ে আবার শীর্ষে উঠে এসেছে সফটওয়্যার নির্মাতা প্রতিষ্ঠান মাইক্রোসফট। এই মুহূর্তে মাইক্রোসফট সকল প্রতিযোগীকে পেছনে ফেলে শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে বলে জানিয়েছেন জে গোল্ড অ্যাসোসিয়েটস’র প্রযুক্তি বিশ্লেষক জ্যাক গোল্ড ।
মাইক্রোসফট তার ব্যবসা বহুমুখী করাসহ সফটওয়ার, উইন্ডোজ ও পিসি থেকে বিপুল আয় করছে। ২০১০ সালের পরে এই প্রথম অ্যাপলকে ছাড়িয়ে গেল মাইক্রোসফট ।শুক্রবার ক্যাপিটাল মার্কেটে মাইক্রোসফট এর সম্পদের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৮৫১.২ বিলিয়ন ডলার, অ্যাপলের সম্পদ ৮৪৭.৪ বিলিয়ন ডলার,আমাজানের সম্পদ ৮২৬ বিলিয়ন ডলার এবং গুগল প্যারেন্ট অ্যালফাবেট’র সম্পদের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৭৬৩ বিলিয়ন ডলার।
উবারের সবচেয়ে বড় মটো মার্কেট বাংলাদেশ– এই ঘোষণার মাধ্যমে বিশ্বের সবচেয়ে বড় অন-ডিমান্ড রাইডশেয়ারিং কোম্পানিটি গত মঙ্গলবার বাংলাদেশে তাদের যাত্রার দুই বছর উদযাপন করেছে। উবারের সবচেয়ে বড় মটো মার্কেটের লিস্টে বাংলাদেশের পরই রয়েছে ভারত ও মিসরের অবস্থান।
এক লাখেরও বেশি চালক ও সপ্তাহে প্রায় আড়াই হাজার নতুন চালকের উবারে সাইন আপ করার ভিত্তিতে ধারণা করা হচ্ছে ২০১৯ সালে বাংলাদেশে উবারের কার্যক্রম দক্ষিণ এশিয়ায় কোমপানিটির মোট প্রবৃদ্ধিতে ২৫ শতাংশ অবদান রাখবে।
অনুষ্ঠানে উবারের ভারত ও দক্ষিণ এশিয়ার প্রেসিডেন্ট প্রদীপ পরমেশ্বরণ বলেন, গত দুই বছরে চালকদের জন্য কাজের সুযোগ সৃষ্টি এবং যাত্রীদের জন্য রাইডের ব্যবস্থা করার মাধ্যমে আমরা বাংলাদেশের উদ্যোক্তা তৈরির সংস্কৃতিকে আরও জোরদার করেছি।
বাংলাদেশে উবারের ২য় বর্ষপূর্তিতে উবার এবং এর সকল কর্মীদের অভিনন্দন জানিয়ে উবারের ব্র্যান্ডঅ্যাম্বাসেডর সাকিব আল হাসান বলেন, দেশে উবারের প্রথম রাইড নেয়া থেকে শুরু করে সমপ্রতি কোমপানিটির ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হওয়া পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে বাংলাদেশের জন্য উবারের প্রতিশ্রুতি দেখে আমি অভিভূত।
বিশ্বজুড়ে ওয়্যারেবল ডিভাইস বা পরিধানযোগ্য প্রযুক্তি পণ্যের চাহিদা বাড়ছে। এর মধ্যে সবেচয়ে বেশি চাহিদা থাকবে স্মার্টওয়াচের। বাজার গবেষণা প্রতিষ্ঠান গার্টনারের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০১৯ সালে সাড়ে ২২ কোটি ওয়্যারেবল ডিভাইস বিক্রি হবে। যা ২০১৮ সালে বিক্রি হওয়া স্মার্টওয়াচের থেকে ২৫ দশমিক ৮ শতাংশ বেশি। ২০১৯ সালে সারা বিশ্বের গ্রাহক ওয়্যারেবল ডিভাইস কিনতে খরচ করবেন মোট চার হাজার ২০০ কোটি মার্কিন ডলার। এর মধ্যে স্মার্টওয়াচ কিনতে খরচ হবে এক হাজার ৬২০ কোটি মার্কিন ডলার।
এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, আপাতত স্মার্টওয়াচের বিক্রি বাড়লেও ২০২১ সালের পর থেকে আবার কমতে শুরু করবে স্মার্টওয়াচ বিক্রি। ২০১৮ সালে একটি স্মার্টওয়াচের দাম ২২১ দশমিক ৯৯ মার্কিন ডলার থেকে কমে ২০২২ সালে তা হবে ২১০ মার্কিন ডলার। যন্ত্রাংশের দাম কমার কারনেই কমবে স্মার্টওয়াচের দাম।
২০১৯ সালে সাদ দশমিক ৪ কোটি স্মার্টওয়াচ বিক্রি হবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে গার্টনার। অর্থাৎ, আগামী বছর সব ওয়্যারেবেল ডিভাইসের মধ্যে বিক্রিতে এক নম্বরে থাকবে স্মার্টওয়াচ।
গার্টনারের জ্যেষ্ঠ পরিচালক আলান আটিন বলেন, প্রচলিত ঘড়ির ব্র্যান্ড যেমন ক্যাসিও এবং ফসিল তাদের পোর্টফোলিওতে আরও নতুন পণ্য যুক্ত করবে। ফ্যাশন পণ্য হিসেবে ২০২২ সালে প্রচলিত ঘড়ির ব্র্যান্ডগুলো বাজারের ২০ শতাংশ দখল করবে।
গার্টনার বলছে, ২০২২ সাল থেকে হিয়ারেবল ডিভাইসের চাহিদা বাড়বে। অ্যাপলের এয়ারপড কিংবা প্ল্যানট্রনিকসের ব্যাকবিট ফিটের মতো ডিভাইস বাজার দখল করবে।